ছোট খালা : আসছি, তুই গিয়ে ডাইনিং টেবিলে বস। আমি টিভি দেখছি, আর তখন ছোট খালা এক কাপ গরম দুধ নিয়ে এল, দুইটা ডিম, একটা সিদ্ধ, আরেকটা পোচ, দুটি কলা, বাটার মাখানো রুটি। ছোট খালা : নে, এগুলি খেয়ে নে। আর পারলে একবার আমার রুমে আসিস। আমি ভাবলাম, ছোট খালা হয়তো ঠিক হয়ে গেছে, আর আমার সাথে এমন করবে না। তাই কোন কথা না বাড়িয়ে থেয়ে ছোট খালার রুমে গেলাম। দেখি ছোট খালা গায়ে একটা বিছানার চাদর দিয়ে শুয়ে আছে। আমি ছোট খালাকে ডাকলাম, ছোট খালা : কোন সমস্যা? আমি : না তুমি তো আমাকে ডেকেছো? ছোট খালা : কান ধরো, দশবার উট বস করো! আমি তো অবাক! কেন আপু? ছোট খালা : তুই, একটা গরু, একটা গাধা, একটা ছাগল! আমি : কেন আপু? ছোট খালা : আমার এক বান্ধবী, নাম রীতা, আমি তাকে আমাদের সব কথা বলেছি, তখন সে আমাকে বলল, তুমি বোকা, বাসায় এমন করা তোমার ঠিক হয় নি, আমি বললাম কেন? তখন বলল, পুরুষ জাতিকে দিয়ে কোন বিশ্বাস নেই সে যেকোন সময় তোকে অক্রমণ করতে পারে। তখন আমি তাকে বললাম কেন কি হবে? রীতা বলল, সে তোকে ধর্ষণ করবেই করবে। শুধু সুযোগ পেলেই হলো। আর আমি তখন থেকেই অপেক্ষায় আছি ব্যাপারটা দেখার জন্য। আর তুই গাধা চুপ করে আছিস। তুই কি মনে করেছিস মেয়েরা শুধু ছেলেদের নুনু চিবিয়েই শান্তি পায়? মেয়েদের কি কোন সখ আহলাদ নেই? আমি তোকে প্রতিদিন বিরক্ত করতাম, আর ভাবতাম আজ হয়তো তুই আমার উপর ঝাপিয়ে পড়বি। কিন্তু না, তুই তো নির্বিকার একটা বলদ। একথা গুলি বলে ছোট খালা কেদেই ফেলল, আর আমি এ কথাগুলি শোনে তো কিংকর্তব্যবিমুঢ ় হয়ে গেলাম। তারপর আমি তার কথা শেষ হবার পর আস্তে আস্তে ছোট খালার কাছে গেলাম, ছোট খালার মাথার পাশে গিয়ে বসলাম। ছোট খালার কান্না আমাকে অপরাধী বানিয়ে দিল।আমি আলতো করে ছোট খালার চোখের পানি মুছে দিলাম, আর তাতেই আমার মাঝে এক দারুন শিহরণ জেগে উঠল, মনে হলো মেয়েরা হলো জগতের এক বিশাল সম্পদ, জীবনের প্রথম এখন কোন মেয়ের অঙ্গে হাত দিলাম, আমার কাছে মনে হলো কতো নরম দুটি চোখ। চোখ থেকে গড়িয়ে পড়া পানি আমার দুই হাতে নিয়ে তাকিয়ে থাকলাম, মনে হলো অনেক দামি দুটি ফোটা। তারপর আলতো করে ছোট খালার চোখে চুমু খেলাম। আর ছোট খালা তার কান্না থামিয়ে দিল। শান্ত হয়ে বসল। আমার সমস্যা হলো ইতিপূর্বে আমি কোন মেয়েকে বাস্তবে এতো কাছ থেকে দেখি নাই। আমি ছোট খালার খুব কাছে এসে গালের প্রতিটি পশমের লোম কুপ অবলকন করছি আর অভিভুত হলাম। আপনাদের হয়তো আগেও বলেছি, আমার সানি ছোট খালা ছিল অসম্ভব সুন্দরী এক যুবতী। তার শারীরীক গঠন অসাধারণ সুন্দর। এবার আমি ছোট খালাকে দুই হাত টেনে বসালাম, আর চোখ দিয়ে ইশারা দিয়ে বললাম এখন আর কোন কথা নয়! শুধুই উপভোগ, আমি সানিকে আর সানি আমাকে ভোগ করবে। ছোট খালা আজ যে সেলোয়ার কামিজ পড়েছে তার রঙ হলো হালকা নীল, তার মাঝে হালকা সবুজ রঙের পাতা আর গোলাপী রঙের ফুল। অসম্ভব ফর্সা গায়ে ছোট খালাকে যে রাজকুমারির মতো দেখাচ্ছে আমার সানি ছোট খালা কি তা জানতো? তারপর আমি আস্তে করে ছোট খালার বুকের উপর থেকে ওড়না সরিয়ে আমার হাতের মুঠোয় নিলাম। সাথে সাথে ছোট খালার চেহারা পাল্টে গেল, বিশ্বাস করুন, তখন আমার সানিকে দেখলে যেকেউ মনে করবে নিরিহ নিরপরাধ হরীনী হিংস্র বাঘের মুখে এসে পড়েছে। ছোট খালার ভয়ার্ত দুই চোখ ইশারা অর্তনাদ করছে তাকে ছেড়ে দিতে। কিন্তু ক্ষুদার্থ বাঘ না খেয়ে কি এতো সহজে ছেড়ে দিবে? আমি লক্ষ করলাম ছোট খালার বুকের উপর থেকে ওড়না সরে যাবার কারণে তার হাত দুটি সামনে এনে গুটিয়ে রেখেছ। এতো রক্ষণশীল পরীবারের ময়ে হিসেবে কখনো কোন পুরুষের সামনে বুকের ওড়না তো দুরের কথা মাথায় বড় চাদর ছাড়াও বের হয়নি। আমি লক্ষ করলাম, ছোট খালার উচ্চসিত স্তন দুটি স্বগর্বে তাদের অবস্থান আমাকে জানান দিচ্ছে। এবার আমি আস্তে করে ছোট খালার কামিজ বা জামার পিছনে হাত দিয়ে হুক খোলার চেষ্টা করলাম। ছোট খালা তাতে সামান্য বাধা দিল কিন্তু আমি তাতে কোন ভ্রুক্ষেপই করলাম না। আমি জানি, মেয়েদের লজ্জা সারা শরীরে, আর সেই মেয়ে যদি হয় মুসলিম রক্ষশীল পরীবরের তবে তো কথাই নেই। অনেকটা জোর করে ছোট খালা কামিজ বা জামার বোতাম খুলে জামার নিচ থেকে ধরে টেনে উপরের দিকে খুলে নিলাম। যখন উপরের দিকে জামা টেনে বের করলাম তখন তো ছোট খালা দুই হাত উপরের দিকে সুজা করে রেখেছে আর আমার চোখ ছোট খালার বগলের নিচে পড়তেই দেখি সাদা সাদা বগলের নিচে কালো ঘন পশমে আবৃত। মাত্র H.S.C Exam শেষ হলো, তাই আমি তো হতবাক, কারণ আমি তখনো জানতাম না যে মেয়েদেরও বগলে পশম হয়। ছোট খালার জামা খুলা পরও তার গায়ে সেন্ডু গেঞ্জির মতো শেমিজ বা অন্তরবাস পড়া ছিল তাই সে এখনো পুরোপুরি উদ্যম বা খালি গা হয় নাই।তখন আমি করলাম কি, ছোট খালার ডান হাত উচু করে তার বগলের নিচের পশমগুলি দেখতে থাকলাম, প্রথমে ছোট খালা কিছু বলে নাই। কিন্তু পরে ছোট খালা খুই লজ্জা বোধ করছিল আমি তার চেহারা দেখে বুখতে বারলাম। আমার কাছে মনে হলো ছোট খালা হয়তো এখনো একবারও বগল এর বাল ফেলেনি। আমি এবার ছোট খালার বগলে হাত দিয়ে বাল গুলি আলতো করে টানতে থাকলাম আর বুঝতে পারলাম ছোট খালা খুবই সেক্স অনুভব করছে। ছোট খালার দুই বগলের পশম বা বাল ধরে ধরে আলতো করে টেনে টেনে ছোট খালার দুই চোখের দিকে তাকিয়ে বলছি ছি! ছি! ছোট খালা এগুলি কি? ছোট খালা তো লজ্জায় দুই চোখ বুজে আছে। আমারও খুবই মজা লাগছে এভাবে লজ্জা দিতে। তারপর অসম্ভস ফর্সা সুন্দর শরীর দেখার জন্য উদগ্রিব হয়ে গেলাম। এভাবে কিছু সময় পর ছোট খালার শেমিজ বা অন্তরবাস খুলেনিলাম এবার শুধু ব্রা পড়া আর নীচে পায়জামা। পায়জামাটা ধরে একটু নীচে নামালাম আর অমনি ছোট খালার সুন্দর নাভী বের হয়ে গেল। আমি আলতো করে নাভীতে এক আঙুল দিতেই ছোট খালা শিহরিত হয়ে উঠল, বুঝলাম ছোট খালা আরো শিহরণ অনুভব করছে। আসলে কখনো এভাবে এতোটা নগ্ন কারো সামনে হয় নাই। আর আমিও অভিভুত, এতো সুন্দর দেহ উপভোগ করছি। আমি তো এতোটাই নিশ্চিত যে এই দেহে কোন পুরুষ কেন, কোন মেয়েরও হাত বা স্পর্শ তো দুরের কথা দৃষ্টিও পড়েনি। তাই নিশ্চিন্তে এগিয়ে গেলাম। আরো আবিষ্কারের জন্য। ছোট খালার সুন্দর ফর্সা পেটের মধ্যে কালো একটি নাভি গহবর খু্বই দারুন লাগছে। কিছু সময় ছোট খালার পেটে সাতার কেটে নিলাম। তার পর এবার হিমালয় বিজয় করার মতো রোমাঞ্চকর একটা আবেশ আমাকে শিতল করে দিল। ছোট খালার দুটি স্তন সত্যিই এতোই উচু ছিল যা দেখার মতোই। যখন আমি ছোট খালার ব্রা এর পিছনের হুকে হাত দিলাম তখনই বাসার মোবাইল বেজে উঠল, আর ছোট খালা আমাকে ইশারায় বলল মোবাইলটা আনার জন্য। তখন অনেকটা বিরক্ত হয়ে উঠে গেলাম।
আর দেখি আমার চাচীর ফোন। মোবাইল নিয়ে ছোট খালার হাতে দিলাম। তখন ছোট খালা কথা বলল, আর তাতে বঝতে পারলাম তারা চলে আসছেন। ছোট খালা তাড়াতাড়ি করে উঠে বলল চল, ভাত খেয়ে নেই। বাবা-মা আসছেন। আমি বললাম এখন আমি ভাত খাবো না তোমাকে খাবো। ছোট খালা হাসল, বলল – অনেক হয়েছে এবার চলো। আমি কখনো ছোট খালার কথার অবধ্য হই না। তাই আমাকে খুবই
আর দেখি আমার চাচীর ফোন। মোবাইল নিয়ে ছোট খালার হাতে দিলাম। তখন ছোট খালা কথা বলল, আর তাতে বঝতে পারলাম তারা চলে আসছেন। ছোট খালা তাড়াতাড়ি করে উঠে বলল চল, ভাত খেয়ে নেই। বাবা-মা আসছেন। আমি বললাম এখন আমি ভাত খাবো না তোমাকে খাবো। ছোট খালা হাসল, বলল – অনেক হয়েছে এবার চলো। আমি কখনো ছোট খালার কথার অবধ্য হই না। তাই আমাকে খুবই
